পোস্টগুলি

রোমাঞ্চকর বান্দরবান

ছবি
স্বরূপ সুমন পর্বত, অরণ্য, গিরি, ছরা, ঝর্ণা ও সরীসৃপ সাঙ্গু নদী ও শঙ্খ নদের অববাহিকায় গুপ্ত এই নবস্বর্গের নাম বান্দরবান। পর্বতের প্রকৃতি গিরগিটি স্বরূপ, গিরগিটি যেমন খনে খনে রঙ বদলায় তেমনি পর্বতের প্রকৃতি খনে খনে সৌন্দর্য মেলে ধরে। আকাশ ছোঁয়ার ও মেঘের ভেলায় ভাসার বাসনা প্রায় সকলেরই থাকে, সেই বাসনা পূরণ করতে হলে যেতে হবে বান্দরবান। আপনি যদি মেঘের স্পর্শ পেতে চান তাহলে যেতে হবে বান্দরবান থানচি রোডে চিম্বুক পাহাড়ে। চিম্বুক পাহাড়ের গঠন প্রকৃতির কারনে পর্বতের খাজে খাজে আটকে থাকে মেঘেরভেলা। চিম্বুকের চূড়া থেকে মেঘের স্পর্শ পেতে না পেতেই আপনার চোখে ধরা পরবে অপর পাশে পর্বতের ঢেউ। এই পর্বতের ঢেউ বান্দরবান সদরে টাইগার হিল, রুমার কেওক্রাডং, তিনমুখ পিলা (বাংলাদেশ,ভারত ও বার্মার সীমান্ত রেখা) থানচির তাজিংডং(বিজয়) ও সাকাহাফং(প্লান্ময়) সহ পর্বতের আরও অনেক জায়গা থেকেই দেখতে পাবেন। বান্দরবান ঘুরতে হলে যেতে হবে বান্দরবান সদর এর মেঘালয়, শৈলপ্রপাত, টাইগার হিল, তার পর বেরিয়ে যেতে পারেন রুমার উদ্দেশ্যে। বান্দরবান সদর থেকে বাসে বা চান্দের গাড়িতে রুমা যেতে পারেন জন প্রতি ভাড়া লাগবে ৮০...
ছবি
সোয়াম্প ফরেষ্ট "রাতারগুল বন" যেভাবে যেতে হবে: রাতারগুল যাওয়া যায় বেশ কয়েকটি পথে। তবে যেভাবেই যান, যেতে হবে সিলেট থেকেই। সিলেট-জাফলংয়ের গাড়িতে উঠে নেমে যাবেন সারিঘাট। এখান থেকে টেম্পোতে করে গোয়াইনঘাট বাজার। বাজারের পাশেই নৌঘাট। এখান থেকে রাতারগুল যাওয়া-আসার জন্য নৌকা রিজার্ভ করতে হবে। তবে মনে রাখবেন, এই নৌকায় করে কিন্তু রাতারগুল বনের ভেতরে ঢোকা যাবে না। বনে ঢুকতে হবে ডিঙি নৌকায় চেপে। আবার সিলেটের আম্বরখানা মোড় থেকেও সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে চলে যেতে পারেন মোটরঘাট / শ্রীঙ্গী ব্রিজ। যেতে সময় লাগবে ৩০ মিনিট। সেখানকার নৌঘাট থেকে নৌকা রিজার্ভ করে রাতারগুল যেতে পারবেন। তবে পথেই যান না কেন, বনে ঢোকার আগে অবশ্যই রাতারগুল বন বিট অফিস থেকে অনুমতি নিতে হবে। দেশের একমাত্র স্বীকৃত সোয়াম্প ফরেষ্ট বা জলার বন "রাতারগুল" সিলেটে অবস্থিত। সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলার বন কি? পানিসহিষ্ণু বড় গাছপালা একটা বনের রূপ নিলে তবেই তাকে বলে সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলার জঙ্গল। উপকূলীয় এলাকার বাইরে অন্যান্য জায়গার সোয়াম্প ফরেস্টগুলো সব সময় জলে প্লাবিত থাকে না। কেবল বর্ষায় ...

হামহাম জলপ্রপাত

ছবি
               হামহাম জলপ্রপাত আহমেদ সাফি > সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ( রাজকান্দি রিজার্ভ ফরেস্টের কুরমা বনবিটের) গহিন অরণ্যঘেরা দুর্গম পাহাড়ী এলাকার রযেছে নৈসর্গিক এই জলপ্রপাত। যারা একটু ভিন্নভাবে প্রকৃতি দেখে অভ্যস্ত আর ছোটখাটো প্রতিকূলতাকে বাধা না মনে করে দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা আর আবিস্কারের নেশা থাকে তাদের কাছে হাম হাম জপ্রপাত হতে পারে আদর্শ স্থান। মূলত লোকালয় বা শহর থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। এই জলপ্রপাত সম্পর্কে মানুষের জানাশোনা খুব বেশি আগের কথা না। পত্রিকাতে একদিন একটা বিশেষ ফিচার ছাপা হয়েছিলো এই জলপ্রপাত নিয়ে। সেদিন থেকেই ওখানে যাওয়ার ভুত মাথায় ছিলো।বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের অনেককেই যাওয়ার জন্য উৎসাহী করার চেষ্টা করতে থাকলাম আর এর মধ্যেই সবকিছু ঠিকঠাক করে ছুটে গেলাম। সবকিছু ছাপিয়ে এক সময় চলে এলাম কমলগঞ্জের একেবারে শেষ গ্রামটিতে নাম কলাবনপাড়া কিংবা তৈলংবাড়ী মুলত এই জায়গাটির পরে আর কোন জনবসতি নেই আর এখান থে...