বিশ্ব শান্তি আশ্রম
মানুষের আশ্রয় বিশ্ব শান্তি আশ্রম
'মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি' মহাগুরু ফকির লালন সাঁই এর এই বানী হৃদয়ে ধারণ করে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ১৯৮১ সালে গোবিন্দহুদা, দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গায় প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্ব শান্তি আশ্রম । বিশ্ব শান্তি আশ্রম ৭ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত । বিশ্ব শান্তি আশ্রমের রক্ষনাবেক্ষনকারি ইকবাল হোসেনের দাবি এই আশ্রম বাংলাদেশের মধ্যে ঔষধি ও ভেষজ বৃক্ষের সবচে বড় বাগান।
'মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি' মহাগুরু ফকির লালন সাঁই এর এই বানী হৃদয়ে ধারণ করে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ১৯৮১ সালে গোবিন্দহুদা, দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গায় প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্ব শান্তি আশ্রম । বিশ্ব শান্তি আশ্রম ৭ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত । বিশ্ব শান্তি আশ্রমের রক্ষনাবেক্ষনকারি ইকবাল হোসেনের দাবি এই আশ্রম বাংলাদেশের মধ্যে ঔষধি ও ভেষজ বৃক্ষের সবচে বড় বাগান।
ঔষধি বৃক্ষ ছাড়াও এই আশ্রমে নানা প্রজাতির ফুল, ফল, কাঠ, লতা, গুল্ম ও পরজীবী বৃক্ষ রয়েছে । বৃক্ষ রোপণ অভিযান - ২০০৯ এ বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বিশ্ব শান্তি আশ্রম । এই আশ্রমের 'মাধবী লতা' বিশ্বের সবচেয়ে বড় লতা জাতীয় উদ্ভিদ । বৃক্ষের পাশাপাশি এই আশ্রমে নানা প্রজাতির কীট-প্রতঙ্গ ও পশু-পাখির অভয়ারণ্য । মঙ্গল সাধু নিজ হাতে পশু-পাখিকে খাদ্য খাইয়ে থাকেন ।
চিত্র ঃ মঙ্গল সাধু
এই আশ্রমে বিষধর সাপ, শিয়াল, সজারু, বেজী, শালিক, চড়ুই, টিয়া, দোয়েল সহ নাম না জানা নানা প্রজাতির পাখি দেখা যায় । কীট-পতঙ্গ, পশু-পাখি ও বৃক্ষের প্রতি এত ভালবাসার কারন কি মঙ্গল সাধুকে জিজ্ঞাস করলে, তিনি বলেন -
"দিনে দিনে পৃথিবী থেকে কীট-পতঙ্গ, পশু-পাখি ও বৃক্ষ বিলীন হয়ে যাচ্ছে । মানুষ যেহেতু বুদ্ধিমান আর শ্রেষ্ঠ বলে নিজেকে দাবি করে তাই পৃথিবী রক্ষায় ও মানবজাতি রক্ষায় পৃথিবীর বাস্তুসংস্থান ঠিক রাখা উচিত, তাই আমি ছোট পরিসরে যা করেছি তা উদাহরন স্বরূপ "এসো বিশ্ব শান্তির জন্য কাজ করি"।"
"দিনে দিনে পৃথিবী থেকে কীট-পতঙ্গ, পশু-পাখি ও বৃক্ষ বিলীন হয়ে যাচ্ছে । মানুষ যেহেতু বুদ্ধিমান আর শ্রেষ্ঠ বলে নিজেকে দাবি করে তাই পৃথিবী রক্ষায় ও মানবজাতি রক্ষায় পৃথিবীর বাস্তুসংস্থান ঠিক রাখা উচিত, তাই আমি ছোট পরিসরে যা করেছি তা উদাহরন স্বরূপ "এসো বিশ্ব শান্তির জন্য কাজ করি"।"
চিত্র ঃ পাতার ঘড়
তার পিতার নাম অলি মল্লিক, মাতার নাম নেবেরুননেসা । তার জন্ম আনুমানিক ১৯৩১ সালে গোবিন্দহুদা, দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গায় । তার শিক্ষা ও দীক্ষা গুরু ভগিরাথপুরের 'হারান সাঁই' । মহাগুরু ফকির লালন সাঁই এর মানব ধর্ম গ্রহন করায় তাকে তার পিতা ত্যাজ্য পুত্র ঘোষণা করেন ।
চিত্র ঃ হস্তী কর্ণ পলাশ গাছ
বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে বিশ্ব শান্তির জন্য কাজ করে যাচ্ছে বিশ্ব শান্তি আশ্রম । পৃথিবীতে যারা নিজ ধর্ম পালনে বাধা প্রাপ্ত হন বা ধর্ম বিশ্বাসের কারনে বাস্তুহারা হয়ে পড়েন বিশ্ব শান্তি আশ্রম তাদের আশ্রয়স্থল ।
চিত্র ঃ রক্ত জবা গাছ দিয়ে তৈরি ভাস্কর্য
বিশ্ব শান্তি আশ্রমে বৎসরে যে যে সময়ে সাধুসঙ্গ ও ভাব গানের আসর বসেঃ
১। আশ্বিন মাসের ৮,৯,১০ তারিখ।
২। ১লা বৈশাখ হতে তিনদিন ব্যাপি ।
৩। মহাদেবের পূজা উৎসব পৌষ মাসের ১৪ তারিখ ।
৪। মুসলেম সাধুর স্মরণ উৎসব মাঘ মাসের ১৫ তারিখ । (মনের মানুষ চলচিত্রে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন)
৫। এবং প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতি বার ।
বিশ্ব শান্তি আশ্রমের ডকুমেন্টারি





মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন